বায়ুদূষণের মধ্যে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ

বাংলাদেশ

দেশে বায়ুদূষণ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে রাজধানীর মানুষজন এখন লাইফ সাপোর্টে আছে। আর কিছুদিন পর অক্সিজেনের বোতল নিয়ে চলাফেরা করতে হবে কিংবা গুপ্ত ঘর বা চৌবাচ্চা করে সেখানে বসবাস করতে হবে। এছাড়া দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে বায়ুদূষণের মধ্যে বাস করছে। তাই বায়ুদূষণ পরিস্থিতির এখনই উন্নতি করতে হবে।

গতকাল ‘বায়ুদূষণের অভিঘাত এবং নগর পরিকল্পনায় বন ও জীববৈচিত্র্য’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আরণ্যক ফাউন্ডেশন, আইইউসিএন ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. একেএম রফিক আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ড. এসএম মঞ্জুরুল হান্নান ও বন অধিদপ্তরের সামাজিক বনায়ন সার্কেলের বন সংরক্ষক রকিবুল হাসান মুকুল। সেমিনারে মূল বক্তা ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট পরিবেশবিজ্ঞানী ড. আইনুন নিশাত। এছাড়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান এবং জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, বিশ্বে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। বাংলাদেশে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম শহর অত্যধিক দূষিত হয়ে পড়েছে। এ দূষণের মূল কারণ হচ্ছে ইটভাটার ধোঁয়া এবং বিভিন্ন কলকারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া ও ধূলিকণা। বাতাসে যেসব ধূলিকণা রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারাত্মক হচ্ছে ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার বা তার কম সাইজের ধূলিকণা এবং বাতাসের মাত্রাতিরিক্ত ক্যাডমিয়াম, নিকেল ও সিসা। ঢাকা শহরের বাতাসে বর্তমানে সহনীয় মাত্রার প্রায় ২০০ গুণ বেশি রয়েছে ক্যাডমিয়াম। নিকেল ও সিসার মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ ও ক্রোমিয়াম প্রায় তিন গুণেরও বেশি। দূষিত বায়ুর কারণে আমাদের নানাবিদ শ্বাসরোগ হয়। ইটভাটা থেকে নির্গত নাইট্রোজেন অক্সাইড ও সালফার ডাই-অক্সাইড এবং বাতাসে ভাসমান পিএম ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের বালুকণা অ্যাজমা, হাঁপানি, অ্যালার্জি সমস্যা, নিউমোনিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বাড়িয়ে দেয়।

[/pl_text]
[/pl_col]
[/pl_row]
[pl_row]
[pl_col col=”12″]
[pl_text]

O

দেশে বায়ুদূষণ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে রাজধানীর মানুষজন এখন লাইফ সাপোর্টে আছে। আর কিছুদিন পর অক্সিজেনের বোতল নিয়ে চলাফেরা করতে হবে কিংবা গুপ্ত ঘর বা চৌবাচ্চা করে সেখানে বসবাস করতে হবে। এছাড়া দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে বায়ুদূষণের মধ্যে বাস করছে। তাই বায়ুদূষণ পরিস্থিতির এখনই উন্নতি করতে হবে।

গতকাল ‘বায়ুদূষণের অভিঘাত এবং নগর পরিকল্পনায় বন ও জীববৈচিত্র্য’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আরণ্যক ফাউন্ডেশন, আইইউসিএন ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. একেএম রফিক আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ড. এসএম মঞ্জুরুল হান্নান ও বন অধিদপ্তরের সামাজিক বনায়ন সার্কেলের বন সংরক্ষক রকিবুল হাসান মুকুল। সেমিনারে মূল বক্তা ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট পরিবেশবিজ্ঞানী ড. আইনুন নিশাত। এছাড়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান এবং জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, বিশ্বে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। বাংলাদেশে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম শহর অত্যধিক দূষিত হয়ে পড়েছে। এ দূষণের মূল কারণ হচ্ছে ইটভাটার ধোঁয়া এবং বিভিন্ন কলকারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া ও ধূলিকণা। বাতাসে যেসব ধূলিকণা রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারাত্মক হচ্ছে ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটার বা তার কম সাইজের ধূলিকণা এবং বাতাসের মাত্রাতিরিক্ত ক্যাডমিয়াম, নিকেল ও সিসা। ঢাকা শহরের বাতাসে বর্তমানে সহনীয় মাত্রার প্রায় ২০০ গুণ বেশি রয়েছে ক্যাডমিয়াম। নিকেল ও সিসার মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ ও ক্রোমিয়াম প্রায় তিন গুণেরও বেশি। দূষিত বায়ুর কারণে আমাদের নানাবিদ শ্বাসরোগ হয়। ইটভাটা থেকে নির্গত নাইট্রোজেন অক্সাইড ও সালফার ডাই-অক্সাইড এবং বাতাসে ভাসমান পিএম ২ দশমিক ৫ মাইক্রোমিটারের বালুকণা অ্যাজমা, হাঁপানি, অ্যালার্জি সমস্যা, নিউমোনিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বাড়িয়ে দেয়।

[/pl_text]
[/pl_col]
[/pl_row]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *